Contents English Movie Review

একদা এক সময়… হলিউডে কিংবা টারান্টিনোর নতুন আরেক জগতে !

Once upon a time… in Hollywood (2019)

– ড্রামা, কমেডি

 

– ‘কুয়েন্টিন টারান্টিনো’র বাকি সিনেমা বিশেষের মতোই “ওয়ান্স আপন আ টাইম…ইন হলিউড” ‘কালচারাল নস্টালজিয়া’ দ্বারা চালিত হয়েছে। তবে এবার তা শুধু চালিত হওয়ার ক্ষেত্রে একটি উপাদান হয়েই থাকে নি, বরং মূল নির্দেশকের ভূমিকা পালন করেছে। টারান্টিনোর সর্বাপেক্ষা ব্যক্তিগত কাজ বলে জ্ঞাত হয়ে আসা এই সিনেমার প্রধান ভাবতত্ত্বকে এক প্রকার, “নস্টালজিয়া” বলেই অভিহিত করা যায়। “ওয়ান্স আপন আ টাইম…ইন হলিউড”-এর সিনেম্যাটিক ল্যান্ডস্কেপ হলিউডের সোনালি এক সময়কার প্রতি প্রেমভাবে গাঢ় চিঠিসকলে পরিপূর্ণ। সে-চিঠিগুলো কখনো হয়ে উঠেছে গীতিময়ী, কখনো অসূয়াপূর্ণ, কখনোবা রহস্যময়ী, আবার কখনো কৌতুকপূর্ণ। চিন্তার খোরাক জাগানো, বিচক্ষণ কিন্তু পরিণত এই ড্রামা সিনেমায় অনন্য যে দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বর টারান্টিনো প্রতিষ্ঠা করেছেন তা এই উপায়ে অন্য কারো পক্ষে প্রতিষ্ঠা করতে পারা অবলা শিশুর মুখের কথা নয়। অদ্যাবধি নিজের পছন্দনীয় জনরার সিনেমাগুলো হতে ভিজ্যুয়াল কিংবা আবহগত উপাদান ধার করে সেসবকে নতুন করে ঢেলে সাজানোয় টারান্টিনো মাস্টার হিসেবেই নিজেকেই চিনিয়ে এসেছেন কিন্তু এই সিনেমার ভিন্নতা এবং প্রগাঢ়তা অবাক করে দেওয়ার মতো।

 

‘ওয়ান্স আপন আ টাইম…ইন হলিউড’-এর গল্প স্থান নিয়েছে ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালের ৩টি নির্দিষ্ট দিনে। হলিউডের সোনালি দশক শেষ হবে হবে তখন। ৭০ দশকে ‘স্বাধীন সিনেমার’ যে বিপ্লব আসি আসি করছে, সে-বিপ্লব আর নতুন সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে হিমশিম খেতে বসা স্টুডিও সিস্টেমের চলমান অর্থনৈতিক সঙ্কট, পর্দার সামনের ও পেছনের হিরোদের অবস্থা, হিপি সম্প্রদায়ের উত্থান এবং সে-দশকের সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা, “ম্যানসন ফ্যামিলি মার্ডার” নিয়ে বিস্তৃত এক গল্প জুড়েছেন টারান্টিনো। এই বিস্তৃত গল্পকে শাখা ধরে বয়ানে তিনি দুটি চরিত্রকে মূলে এনেছেন।

ওয়েস্টার্ন সিনেমা এবং টিভি শো’য়ের অভিনেতা রিক ডাল্টন এবং তার স্টান্টম্যান ও বন্ধু ক্লিফ বুথ’ই সিনেমার দুই কেন্দ্রীয় চরিত্র। বেশকিছু ‘ওয়েস্টার্ন’ সিনেমায় অভিনয় করা রিক ডাল্টনের প্রধান পরিচিতি একটি টিভি শো “বাউন্টি ল্য” এর হিরো হিসেবেই। সেই শো ছেড়ে দিয়ে রিক এখন অন্যান্য টিভি শো’তে অতিথি তারকা, বিশেষত খলচরিত্রের অভিনেতা হিসেবে নিজের মুখ বিক্রি করছে। ঘাগী এজেন্ট ‘মার্ভিন শোয়ার্টজ্’, রিককে সতর্কবানী মনে করান, যদি এভাবে খলচরিত্র করতে থাকে তবে তথাকথিত নায়কের প্রতি দর্শকের যে আবেগ, উদ্দীপনা, সহমর্মিতার জায়গা সেটি রিক হারাবে এবং নায়কোচিত মনোভাবটা তার মাঝ থেকে উবে যাবে।

ঘাগী এজেন্ট মারভিনের সাথে রিক ও ক্লিফের প্রথম সাক্ষাৎ।

মারভিনের কথায় রিক শঙ্কিত হয়। হলিউডের  জাঁকজমকতা হতে নিজের ছিটকে পড়ার মলিন ভবিষ্যৎ দেখতে পায়। মারভিন তাকে ইতালির ‘স্পাগ্যাটি ওয়েস্টার্ন’ সিনেমার হিরো হওয়ার প্রস্তাব করে। রিক ইতালিয়ান সিনেমায় অভিনয়ের কথা ভাবতেই পারে না। কিন্তু নিজের ক্যারিয়ার পুনর্জীবিত করার বাসনায় আর বন্ধু ক্লিফ বুথের কথায় আশ্বস্ত হয়ে প্রস্তাবে সম্মতি জানায় রিক। ক্লিফ বুথ চরিত্রটি বর্ণিত হয় একজন যোদ্ধা হিসেবে (যদিও কোন যুদ্ধের যোদ্ধা সে, তা অস্পষ্টই রেখে দেওয়া হয়েছে)। ক্লিফের অতীত অজানা সবার, শুধু কিছু ভেসে আসা জঘন্য গুজব বিনে। সে-গুজবগুলোই টারান্টিনোর এই ‘নায়ক’ চরিত্রটিতে খানিকটা খলনায়কের ছায়া এনে দেয়। ঘটনাক্রমে ক্লিফের হিপি সম্প্রদায়ের সাথে পরিচিত হওয়া (যারা এক ভয়াবহ হত্যাকান্ডের দিকে পরবর্তীতে এগিয়ে যাবে), ওদিকে একপ্রকার দৈবক্রমে রিকের পাশের বাড়িতে সদ্য বিবাহিত দম্পতি হলিউডের ‘হটশট’ পরিচালকের আসনে অধিষ্ঠিত ‘রোমান পলান্সকি্’ (যার সিনেমায় অভিনয়ের স্বপ্ন দেখে রিক) ও ‘শ্যারন টেইট’-এর আগমন (যাদের আগমনই অশনী সংকেতের বার্তা বহন করে) এবং শ্যুটিং সেটের দীর্ঘ মুহূর্তগুলো এগিয়ে চলতে থাকে সাহসী এবং কল্পনার আশ্রয়ে বেড়ে উঠা অন্তিম দৃশ্যের দিকে।

 

“পাল্প ফিকশন”-এর পর, ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম…ইন হলিউড’ই টারান্টিনোর সর্বাপেক্ষা চিন্তা উদ্রেককারী, পরিণত, অন্তর্মুখী সিনেমা। এই সিনেমা, সিনেমা নিয়েই, যেটি টারান্টিনো’ই করে দেখাতে পারেন বা দেখানোর ক্ষমতা রাখেন। দীর্ঘ একটি সময় ধরে নিজের গল্পবয়ান’কে নিখুঁত হতে নিখুঁত’তর করে তোলা একজন ঝানু গল্পকথকের নিজের গোটা ক্যারিয়ারের দিকে ফিরে তাকানো এবং সিনেমার ক্ষমতার দিক’টিকে প্রতিফলিত করা দ্যোতক অর্থবহ কাজ, ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম…ইন হলিউড’। টারান্টিনোর চেয়ে হলিউডের নিজেকেই প্রকাশ করা সিনেমা এটি। টারান্টিনোর চোখে, ‘হলিউড’ সেই জাঁকালো, আকর্ষণীয় জায়গা, স্বপ্নবাজরা যেখানে ঝাঁক বেঁধে ঘুরে বেড়াবে। নিজের পরিচিতি বানানোয় ছুটে বেড়াবে এবং টিকে থাকার জন্য লড়ে চলবে, যার সৎ এবং সরল স্বীকারোক্তি ভেসে আসে রিকের কন্ঠে, ‘লস এঞ্জেলসে’ সে বাড়ি কিনেছে শুধুমাত্র, ভাড়া নিলে একজন বহিরাগতের দাগ কপালে কেঁটে যাওয়ার ভয় থেকে। (এই ন্যারেটিভেই দর্শক শ্যারন টেইটের সাথে পরিচিত হয়, ন্যারেটিভকে আরো বিস্তৃত করতে ভূমিকা রেখেছে যে চরিত্রটি।) এবং রিকের নতুন সিনেমার শ্যুটিং সেটের দীর্ঘ মুহূর্তগুলো ধারণ করে টারান্টিনো শ্যুটিং সেটে, টেক নেওয়ার মাঝের সময়গুলোকেই ‘বিনোদন’ সৃষ্টির মূল জায়গা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।










রিক অভিনীত স্পাঘেটি ওয়েস্টার্ন সিনেমার ফিকশনাল পোস্টার।

‘রিক ডাল্টন’ চরিত্রে লিওনার্দো ডি’ক্যাপ্রিও” শ্রেষ্ঠতম একটি অভিনয় দিয়েছেন তার ক্যারিয়ারের। পণ্য হিসেবে শিল্পকে ব্যবসায়  প্রতিষ্ঠায় একজন প্রতিভাবান ‘অভিনেতা’র ক্ষীণ হয়ে আসা জায়গা এবং তার ক্যারিয়ার অনিশ্চয়তাকে কেন্দ্রে আনার পাশাপাশি, একইসময়ে পর্দার হিরো রিক ডাল্টনকে সূচারুভাবে ডি’ক্যাপ্রিও তার অভিনয়ে তুলে ধরেছেন। ওদিকে, হিপিদের উত্থান এবং  লস এঞ্জেলসের নতুন প্রজন্মের পরিবর্তনীয় ল্যান্ডস্কেপে একজন স্টান্টম্যান ও সমকালীন কাউবয়ের অবস্থান তুলে আনা ক্লিফ বুথ চরিত্রে “ব্র‍্যাড পিট” তার অভিনয়ে সম্মোহিত করে রেখেছেন। টারান্টিনোর, বৈবাহিক জীবনকে তিক্ত এবং বোঝা হিসেবে দেখার প্রয়াস’টা এই ‘ক্লিফ বুথ’ চরিত্র দিয়েই স্পষ্ট হয়ে উঠে। সেদিকে, রিক চরিত্রটি বিয়ে তো করেছে কিন্তু সেখানটায়-ও টারান্টিনো প্যারোডির আশ্রয় নিয়েছেন, যা লাগেজের বিশাল বহর বয়ে নেওয়ার দৃশ্যে লক্ষ্য করা যায়।




লাগেজের বহর বয়ে নেওয়ার সেই দৃশ্য।

নির্ভরশীলতার বোঝায় রিক’কে ভারাক্রান্ত করাই ছিল এই বিয়ের কোণ’টি গল্পে রাখার মূল উদ্দেশ্য। কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রের দৌড়ে, ‘শ্যারন টেইট’ চরিত্র রূপদানকারী “মার্গো রোবি”-র নামটিই প্রথমে থাকবে। “মার্গো রোবি” তার তৎপর অভিনয় আর আকর্ষণীয় জেশ্চারে দ্যুতি ছড়িয়েছেন যখনই পর্দায় এসেছেন।  চরিত্রের ব্যাপ্তি নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। তবে ব্যাপ্তি স্বল্প হওয়ার কারণ, পরিচালক টারান্টিনো ‘শ্যারন টেইট’ চরিত্রটিকে চরিত্র বা একজন ব্যক্তি হিসেবে না দেখে তাঁর গল্পের শুধুমাত্র একটি ধারণা হিসেবে দেখতে চেয়েছেন। ( সিনেমার অন্যতম জটিল ন্যারেটিভ কিন্তু এই চরিত্রকেই প্রতিষ্ঠা করতে দিয়েছেন।) রিক চরিত্রের ক্রমশ বাড়তে থাকা শঙ্কা, উত্তেজনার বিপরীতে আশাবাদীতার ছোট্ট ঝলক এই চরিত্রটি। হলিউডের সোনালি দশকের নিখুঁত, আশ্চর্যান্বিত এবং সাহসী এক চিত্র, ভুলত্রুটি মেখেও অভিনব হয়ে উঠা সকল চরিত্রের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় এই সিনেমার চিত্রনাট্য। টারান্টিনোর চিত্রনাট্য একইসময়ে কড়া, হাস্যরসিক। এবং বিবরণীয় হয়ে উঠেছে সে-দশকের রাজনৈতিক বিরোধ, সামাজিক দ্বন্দ্ব এবং পরিবর্তন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থেকে।

 

রোমান পলান্সকি্ এবং শ্যারন টেইট ছাড়া আরো বেশকিছু বাস্তব এবং বিখ্যাত চরিত্রের কল্পিত রূপ সৃষ্টি করে ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম…ইন হলিউড’-এর দুনিয়াটাকে জনাকীর্ণ করেছেন, টারান্টিনো (‘ব্রুস লী’, ‘স্টিভ ম্যাককুইন’, ‘জেমস স্টেইসি’)। এদের মাঝে ব্রুস লী (চরিত্র রূপদানকারী- মাইক মহ্) এবং ব্র‍্যাড পিটের লড়াকু দৃশ্যটি সিনেমার অন্যতম ‘ক্রাউড প্লিজিং’ দৃশ্য। এছাড়া; খালি গায়ে মই বেয়ে ছাদে উঠে ক্লিফ বুথের টিভি এন্টেনা ঠিক করার দৃশ্য, এসিড সিগারেট’টা শেষবেলায় আগুন ধরানোয় বুথের পূর্বপ্রস্তুতির মতো দৃশ্যগুলো সিনেমার অন্যতম স্নিগ্ধশীতল সব দৃশ্য হয়ে উঠেছে টারান্টিনোর পরিচালনার নিপুণ কৌশলে।




স্টান্টম্যান এবং কাউবয় ক্লিফ বুথ।

টারান্টিনো এমন একজন পরিচালক, যিনি দর্শকের কোটের ল্যাপেল ধরে তার মাথায় কি চলছে, কি খেলছে তা অবিরত বলেই চলেন। তাঁর ইমেজগুলোকে তিনি সর্বদা ব্যস্ত রাখেন। একইসময়ে চটকদার এবং অবিরাম কার্মিক তার ইমেজারি। হলিউডের প্রতি প্রেমভাবে পূর্ণ এক চিঠি এই সিনেমা, সেটুকু তো আগেই পরিষ্কার এবং সেই ভালোবাসা স্বচ্ছ থেকে আরো স্বচ্ছতর হয়ে উঠেছে তার ইমেজগুলোতে। এমন উপায়ে, যত্নে তিনি ইমেজগুলোকে সাজিয়েছেন, ভালো না বেসে উপায় নেই। ৬০ দশকে হলিউডে জীবনধারণের অবস্থা, মুভি বিজনেসের স্বপ্নিল স্ন্যাপশট হিসেবে গোটা কাজটিকে তিনি রূপদান করেছেন। চমৎকার প্রোডাকশন ডিজাইন, ৬০ দশকের ক্ল্যাসিক কার, আর সঙ্গীতের নিখুঁত নির্বাচন (যেখানে বরাবরের মতোই পপ কালচারের রেফারেন্স খুঁজে পাওয়া যায়; রেডিওতে নিডল ড্রপের সাথে সে-সময়ের ‘হেভেন সেন্ট পারফিউম’, ‘ট্যানিয়া ট্যানিং ওয়েল’-এর বিজ্ঞাপনে) সম্পর্কে দর্শককে জানাতে ক্লিফ বুথের গাড়ি নিয়ে শহরের এপ্রান্তে, ওপ্রান্তে ঘুরে বেড়ানোর প্রায় ডজনখানেক শট টারান্টিনো সিনেমায় রেখেছেন। সাহসী সব ক্রেন শট (যেমন- ড্রাইভ ইন থিয়েটারের পাশ দিয়ে ক্লিফ বুথের গাড়ি চালিয়ে তার ট্রেলারে যাওয়ার দৃশ্যটি) আর দীর্ঘ ট্র‍্যাকিং শটগুলো (যেমন- শ্যুটিং সেটে রিক আর শিশুশিল্পীর প্রথম সাক্ষাতের দৃশ্যটি) কোনরূপ অনুনাদী কিংবা গূঢ় হয়ে উঠা ছাড়াই হলিউড ব্যবস্থার শক্তির দিকটি সুস্পষ্ট করে তুলেছে।

 

টারান্টিনো, তার সিনেমার দুনিয়ার বাহিরের দুনিয়া’টাকে সবসময় বাহিরেই রেখেছেন। তার সিনেম্যাটিক দুনিয়ার সাথে, বাহিরের দুনিয়ার সাক্ষাৎ বা সংঘর্ষ তিনি ঘটান না। ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম…ইন হলিউড’-এর দুনিয়াটাও হলিউডের ধারণা, আকাঙ্ক্ষা, জটিলতার অভ্যন্তরেই থেকেছে, ক্লাইম্যাক্সের আগ অব্দি। ক্লাইম্যাক্সে অভিনব এক উপায়ে তিনি, তার কল্পিত চরিত্র আর ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্যে সাযুজ্য ঘটিয়েছেন এবং প্রতিচ্ছেদ-ও করেছেন। ক্লাইম্যাক্সে ব্যর্থতাকে ঝেড়ে ফেলে, নৈতিক উৎকর্ষকে আলিঙ্গন করে নিয়ে বাস্তব জীবনের বীরত্বকাব্য রচনা করেছে তার চরিত্ররা। ক্লাইম্যাক্সের সেই রক্তপাত, হিংস্রতা তাই অর্জিত হয়েই দাঁড়িয়েছে, বিরাট দম্ভের সাথে। টারান্টিনোর স্বপ্নিল এই পৃথিবী বড়োই স্যাডিস্টিক। কিন্তু তা এমনই এক পরমোল্লসিত উপায়ে, যেমন করে খারাপের ভেতরে বাস করে ভালো, নরকের পূরীতে বাসা বাঁধে স্বর্গ।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *